একই দিনে রেকর্ড নেইমার ও মেসির

একই দিনে রেকর্ড নেইমার ও মেসির

বৈঠকখানা ডেস্কঃ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে পর পর দুটি হাইভোল্টেজ ম্যাচে সহজ জয় ছিনিয়ে নিল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। একদিনে পেরুর থেকে সহজ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ব্রাজিল, অন্যদিকে কোপা আমেরিকাজয়ী আর্জেন্টিনা একই ভাবে বলিভিয়ার বিরুদ্ধেও ম্যাচ জয় করে নেয়।

এদিন লিওনেল মেসি রেকর্ড গড়েছেন। বলিভিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের গোলসংখ্যা ৭৯ তে নিয়ে গেলেন মেসি। ছাড়িয়ে গেলেন ব্রাজিলের হয়ে ৭৭ গোল করা পেলেকে। কনমেবলের ইতিহাসে এত বেশি গোল আর কারওর নেই।

মেসির হ্যাটট্রিকেই ৩-০ গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচশেষে আনন্দের আতিশয্যে মেসির চোখে আবেগের বান ডাকল যেন। চোখ দিয়ে টপটপ করে পড়তে থাকল জল। কেউ যদি এখনও মনে করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি নিজের শতভাগ দেন না, হ্যাটট্রিকের দৃশ্যটার পাশাপাশি এই ছবিটাও তাঁদের সমালোচনার জবাব হয়ে থাকবে বহু যুগ।

ব্রাজিলের পেলেকে টপকে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক- এটা তো ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিরাট খবর। কিন্তু মেসি রেকর্ড করবেন, আর নেইমার বসে থাকবেন, তা কী হয়?  একই দিনে রেকর্ড গড়েছেন নেইমারও। হয়তো তাঁর রেকর্ড মেসির মতো কলেবরে অতো বড় নয়, তবে রেকর্ড।

এদিন বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে পেরুকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। নেইমার একটি গোল করেছেন, আরেকটা গোল করিয়েছেন এভেরতন রিবেইরোকে দিয়ে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এই নিয়ে ১২টা গোল হয়ে গেল নেইমারের। এত বেশি গোল আর কোনো ব্রাজিলীয় তারকার নেই। রোনালদো, পেলে, রোনালদিনিও, রোমারিও, আদ্রিয়ানো, জিকো, তোস্তাও, রিভেলিনো, গারিঞ্চা- কারওর না।

৪০ মিনিটে গোলের খাতায় নিজেই নাম লেখান নেইমার। এভেরতন রিবেরিওর দূরপাল্লার এক জোরালো শট আটকে দিলেও বল নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি পেরুর গোলকিপার পেদ্রো গালেসে। বল চলে যায় সামনে থাকা নেইমারের কাছে। গোল করতে ভুল করেননি এই তারকা।

এই নিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ৬৯টা গোল হয়ে গেল নেইমারের। ১১২ ম্যাচ খেলে ৪৯টা গোলে সহায়তাও করেছেন। এবারের বাছাইপর্বে এই নিয়ে ছয়টি ম্যাচ খেলেছেন নেইমার। গোল করেছেন ছয়টি, পাঁচটি গোলে সহায়তাও করেছেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দিলেই নেইমারকে যে ঠেকানো যায় না, আরেকটা প্রমাণ এসব পরিসংখ্যান।

administrator

Related Articles